সর্বশেষঃ
ভান্ডারিয়ায় ড্রীম বাংলা ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ সাইদ চৌধুরীর নগত অর্থ সহায়তা[][][]ভাণ্ডারিয়ায় মুজিববর্ষের ঘরের কাজ পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার[][][]খালেদা জিয়ার লিভার ঠিকভাবে কাজ করছে না'[][][]আলজাজিরার সাংবাদিককে ‘জিহাদী’ বলে হিন্দুত্ববাদীদের আক্রমণ[][][]পরীকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা : প্রধান অভিযুক্ত নাসিরসহ গ্রেফতার ৫[][][]আগৈলঝাড়ায় ইসলামী এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র উদ্বোধন[][][]আগৈলঝাড়ায় সাংবাদিক পরিচয়ে তিন প্রতারক আটক, মুচলেকা দিয়ে মুক্ত[][][]মাদরাসা শিক্ষাকে আন্তর্জাতিক মানের করতে কাজ করছে আ'লীগ সরকার--এমপি জ্যাকব[][][]৩০ জুন পর্যন্তবাড়লো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি[][][]স্বাস্থ্য নয়, অন্যান্য খাতের কোটি টাকা কানাডায় চলে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ভারতে এক দিনে মৃত্যু আবার চার হাজারের ওপরে

ডিওবি ডেস্ক: 

ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় সংক্রমিত রোগী শনাক্ত কমেছে। তবে বেড়েছে মৃত্যু। দেশটিতে আবার এক দিনে করোনায় চার হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার এনডিটিভি অনলাইনের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ভারতে গত ২৪ ঘণ্টায় দুই লাখ ৫৯ হাজার ৫৫১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে দেশটিতে করোনায় চার হাজার ২০৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। সবশেষ এ তথ্য নিয়ে ভারতে করোনায় সংক্রমিত মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই কোটি ৬০ লাখ ৩১ হাজার ৯৯১। করোনায় দেশটিতে মোট মারা গেছেন দুই লাখ ৯১ হাজার ৩৩১ জন।

ভারতে বুধবার দুই লাখ ৭৬ হাজার ১১০ জনের করোনা শনাক্ত হয়। মারা যান তিন হাজার ৮৭৪ জন। মঙ্গলবার দুই লাখ ৬৭ হাজার ৩৩৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়। মারা যান চার হাজার ৫২৯ জন। ভারতে আগে কখনো এক দিন এত মানুষ করোনায় মারা যাননি। সোমবার ভারতে চার হাজার ৩২৯ জন মারা যান। এ দিন দুই লাখ ৬৩ হাজার ৫৩৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়। রোববার দুই লাখ ৮১ হাজার ৩৮৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়।

গত ২১ এপ্রিলের পর দেশটিতে এ দিনই প্রথম ২৪ ঘণ্টায় তিন লাখের নিচে করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এ দিন দেশটিতে করোনায় মারা যান চার হাজার ১০৬ জন। শনিবার তিন লাখ ১১ হাজার ১৭০ জনের করোনা শনাক্ত হয়। এ দিন দেশটিতে করোনায় মারা যান চার হাজার ৭৭ জন। গত শুক্রবার শনাক্ত হয় তিন লাখ ২৬ হাজার জন। এ দিন মারা যান তিন হাজার ৯৮০ জন।

গত মার্চের মাঝামাঝিতে ভারতে এক দিনে শনাক্ত করোনা রোগীর সংখ্যা ছিল ২০ হাজারের কাছাকাছি। তার পর দেশটিতে লাফিয়ে বাড়তে থাকে সংক্রমণ। গত ৩ এপ্রিল ভারতে করোনায় সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দুই কোটির মাইলফলক ছাড়ায়।

গত ৩০ এপ্রিল ভারতে প্রথম এক দিনে চার লাখের বেশি মানুষের করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। তার পর একাধিক দিন দেশটিতে চার লাখের বেশি রোগী শনাক্ত হয়। চার দিন ধরে ভারতে তিন লাখের নিচে করোনা শনাক্ত হচ্ছে। ৭ মে ভারতে প্রথম এক দিনে করোনায় চার হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। তার পর একাধিক দিন দেশটিতে চার হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সবশেষ বৃহস্পতিবার দেশটিতে মৃত্যু চার হাজারের ওপরে উঠল।

ভারতীয় ধরনের বিরুদ্ধে ‘চীনের টিকা কার্যকর’

চীনের উদ্ভাবিত করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) টিকা এ ভাইরাসের ভারতীয় ধরনের বিরুদ্ধেও কার্যকর বলে বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন দেশটির নেতৃস্থানীয় একজন রোগনিয়ন্ত্রণ বিশেষজ্ঞ। খবর রয়টার্স ও হিন্দুস্তান টাইমসের।

চাইনিজ সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের (সিডিসি) বিশেষজ্ঞ শাও ওয়াইমিং বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে বলেন, প্রাথমিক গবেষণায় দেখা গেছে, চীনে ব্যবহৃত করোনার টিকাগুলো এ ভাইরাসের সংক্রমণের বিরুদ্ধে ‘একটি নির্দিষ্ট মাত্রায়’ সুরক্ষা দিতে সক্ষম। তবে ভারতীয় ধরনের বিরুদ্ধে চীনের কোন কোন টিকা কার্যকর, সে ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু বলেননি তিনি।

গত সপ্তাহে চীনের বিশেষজ্ঞরা বলেন, ভারতে প্রথমবারের মতো শনাক্ত হওয়া করোনার ধরনটিতে সংক্রমিত হওয়ার অন্তত ১৮টি ঘটনা চীনে ধরা পড়েছে। শাও বলেন, করোনার ভারতীয় ধরনের ওপর চীন বিশেষ নজর রাখছে। এ নিয়ে গবেষণা চলছে ও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের কাজ চলছে।
মুমূর্ষু মুসলিম রোগীকে কালেমা পড়ে শোনালেন হিন্দু চিকিৎসক

ভারতে হিন্দু-মুসলমানসহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষের বাস। প্রায়ই দেশটিতে ধর্মীয় সহিংসতার খবর পাওয়া যায়। তবে হিন্দু-মুসলিম আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতির কথাও উঠে আসে প্রায়ই। বিশেষ করে এই করোনা মহামারীতে অনেকেই ধর্মীয় ভেদাভেদ ভুলে একে অপরের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। সর্বশেষ এমনটি একটি ঘটনা ঘটেছে কেরালার একটি হাপসাতালে। করোনায় আক্রান্ত মৃত্যু পথযাত্রী এক মুসলিমকে কালেমা পড়ে শোনালেন চিকিৎসক রেখা কৃষ্ণা। ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে হিন্দু চিকিৎসকের এমন আচরণের অনেকেই প্রশংসা করছেন। খবর সংবাদ প্রতিদিনের।

কেরালার পলাক্করের পতম্বির সেবানা হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারে ভর্তি হয়েছিলেন করোনায় আক্রান্ত এক মুসলিম নারী। ওই হাসপাতালেরই চিকিৎসক রেখা কৃষ্ণা। তিনিই ওই নারীর চিকিৎসা করছিলেন। আইসিইউতে ছিলেন রোগী। তবে কিছুতেই তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছিল না। চিকিৎসক বুঝতে পারছিলেন ওই করোনা রোগীকে কোনোভাবেই সুস্থ করে তোলা সম্ভব নয়। স্বজনদেরও সে কথা জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু করোনা আক্রান্ত হওয়ায় ওই নারীর সাথে আত্মীয়দের কেউই দেখা করতে পারছিলেন না। এক দিন রেখা বুঝতে পারেন রোগীর নাড়ির স্পন্দন ধীর হচ্ছে। ঠিকমতো নিঃশ্বাস নিতেও পারছেন না। সেই সময় রোগীর কানের কাছে গিয়ে আস্তে আস্তে কালেমা পড়তে থাকেন ওই চিকিৎসক। রেখা দেখেন কলেমা পড়ামাত্রই রোগী গভীর শ্বাস নেন। তার পরই মৃত্যু হয় তার।

রেখা কৃষ্ণা বলেন, ‘আমার দুবাইতে বেড়ে ওঠা। তাই ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে আমি কমবেশি জানি।’ আর এ কারণেই মৃত্যু পথযাত্রী করোনা রোগীর কানে কালেমা পড়ে শুনিয়েছিলেন তিনি।

0Shares