সর্বশেষঃ
ভান্ডারিয়ায় ড্রীম বাংলা ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ সাইদ চৌধুরীর নগত অর্থ সহায়তা[][][]ভাণ্ডারিয়ায় মুজিববর্ষের ঘরের কাজ পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার[][][]খালেদা জিয়ার লিভার ঠিকভাবে কাজ করছে না'[][][]আলজাজিরার সাংবাদিককে ‘জিহাদী’ বলে হিন্দুত্ববাদীদের আক্রমণ[][][]পরীকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা : প্রধান অভিযুক্ত নাসিরসহ গ্রেফতার ৫[][][]আগৈলঝাড়ায় ইসলামী এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র উদ্বোধন[][][]আগৈলঝাড়ায় সাংবাদিক পরিচয়ে তিন প্রতারক আটক, মুচলেকা দিয়ে মুক্ত[][][]মাদরাসা শিক্ষাকে আন্তর্জাতিক মানের করতে কাজ করছে আ'লীগ সরকার--এমপি জ্যাকব[][][]৩০ জুন পর্যন্তবাড়লো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি[][][]স্বাস্থ্য নয়, অন্যান্য খাতের কোটি টাকা কানাডায় চলে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর অফিসকে কেন বিতর্কিত করেন হাইকোর্টের প্রশ্ন

ডিওবি ডেস্কঃ

একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ নিয়োগ কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নথি জালিয়াতির ঘটনায় বরখাস্ত কর্মচারী ফাতেমা খাতুনকে কেন জামিন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোমতাজউদ্দিন আহমদ মেহেদী। জামিন শুনানিতে হাইকোর্ট বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর অফিসকে কেন বিতর্কিত করেন? রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ এই অফিসকে কেন প্রশ্নের সম্মুখীন করেন? আপনার কাছে এ ধরনের অপরাধ ছোট মনে হতে পারে, কিন্তু এটাকে নমনীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার সুযোগ নেই। খবর বিডিনিউজের।

আইনজীবী বলেন, গত বছরের ১০ মে থেকে আবেদনকারী কারাগারে। তিনি অসুস্থ। আদালত বলেন, কিছু করার নেই। এরপর আদালত আসামির জামিন প্রশ্নে রুল জারি করেন।
মামলার বিবরণীতে জানা যায়, নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ পদের জন্য ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম এনামুল হক, বুয়েটের পুরঃকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মো. আব্দুর রউফ ও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালের সাবেক কোষাধ্যক্ষ অবসরপ্রাপ্ত এয়ার কমোডর এম আবদুস সালাম আজাদের নাম প্রস্তাব করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নথি পাঠানো হয়।

সেই নথি প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করা হলে তিনি অধ্যাপক ড. এম এনামুল হকের নামের পাশে টিক চিহ্ন দেন।
পরে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর প্রস্তুতি পর্বে নথিটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অফিস সহকারী ফাতেমার কাছে গেলে তিনি ফোনে ছাত্রলীগের নেতা তরিকুলকে জানান যে, এম আবদুস সালাম আজাদ কোষাধ্যক্ষ হিসেবে অনুমোদন পাননি।

এরপর তরিকুলের পরিকল্পনা অনুযায়ী কৌশলে নথিটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বের করে ফরহাদ নামে একজনের হাতে তুলে দেন ফাতেমা। সেই নথিতে ড. এম এনামুল হকের নামের পাশে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া টিক চিহ্নটি ‘টেম্পারিং’ করে সেখানে ক্রস চিহ্ন দেন তরিকুল। একইভাবে অধ্যাপক মো. আব্দুর রউফের নামের পাশে ক্রস চিহ্ন দিয়ে এয়ার কমোডর এম আবদুস সালাম আজাদের নামের পাশে টিক চিহ্ন দেন তিনি। পরে নথিটি রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে পাঠানো হয়।

0Shares