সর্বশেষঃ
ভান্ডারিয়ায় ড্রীম বাংলা ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ সাইদ চৌধুরীর নগত অর্থ সহায়তা[][][]ভাণ্ডারিয়ায় মুজিববর্ষের ঘরের কাজ পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার[][][]খালেদা জিয়ার লিভার ঠিকভাবে কাজ করছে না'[][][]আলজাজিরার সাংবাদিককে ‘জিহাদী’ বলে হিন্দুত্ববাদীদের আক্রমণ[][][]পরীকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা : প্রধান অভিযুক্ত নাসিরসহ গ্রেফতার ৫[][][]আগৈলঝাড়ায় ইসলামী এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র উদ্বোধন[][][]আগৈলঝাড়ায় সাংবাদিক পরিচয়ে তিন প্রতারক আটক, মুচলেকা দিয়ে মুক্ত[][][]মাদরাসা শিক্ষাকে আন্তর্জাতিক মানের করতে কাজ করছে আ'লীগ সরকার--এমপি জ্যাকব[][][]৩০ জুন পর্যন্তবাড়লো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি[][][]স্বাস্থ্য নয়, অন্যান্য খাতের কোটি টাকা কানাডায় চলে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

কৃষিকাজ আর ব্যবসা এক নয় ?

জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত মডেল কৃষক আবুবকর ছিদ্দিক
কৃষি কাজ এমন এক পেষা যে পেষার মাধ্যমে ব্যক্তি তার নিজের খাদ্যের চাহিদা মিটিয়ে অন্যের খাবারের যোগান দিয়ে থাকে।তাই তো সকলে কৃষি কাজকে মহান পেষা বলে থাকেন।তবে এ পেষা অন্য পেষা থেকে সম্পুর্ন আলাদা।আলাদা বলি এ কারনে এ কাজে ঝুকির পরিমান অনেক বশী।তাছাড়া শ্রমের কথা চিন্তা করলে কৃষক চাড়া অন্য পেষার মানুষ এ পেষার মানুষের কস্টের কথা বুঝবেনা।কেননা কৃষি চাড়া সকল পেষাদারদের কাজের একটা নির্দিস্ট সময় আছে যা কৃষক ভাইদের নেই।জো এলে বা ফসল রোপনের মৌসুম এলে রোদ, বৃস্টি ঝড় পেক্ষাকরে কৃষি কাজে ঝাপিয়ে পড়তে হয়।এমনকি কাজের সময়টা মধ্য রাত ও হতে পারে।কাক ফাটা রোদ, ননস্টপ বৃস্টি, সিডর, আয়লা, বুলবুল আম্পান যখন শুরু হয় তখন অন্য পেষার মানুষ এসি বা নিরাপদে বাসায় থাকলে ও কৃষক ভাইয়রা তা কখন ও পারেনা।মাঠে ঘাটে তখন তাদের অনেক কাজ।প্রকৃতিক দুর্যোগ কালিন সময় সবাই নিরাপদ আশ্রয় থাকলে ও কৃষক জীবনের ঝুকি নিয়ে ফসল বাঁচাতে ব্যস্ত থাকে।কেননা ঐ ফসলের মধ্যেই কৃষকের জীবনের স্বপ্ন লুকিয়ে থাকে। আমরা যদি পরিশংখন দেখি তা হলে দেখতে পাব প্রতি বছর বর্জ্রপাতে যত মানুষ মারা যায় তাদের বেশীর ভাগই কৃষি কাজে সংশ্লিষ্ট। এত শ্রম ও জীবনের ঝুকি নিয়ে লানো ফসল যখন প্রকৃতিক দুর্যোগে সম্পুর্ণ নস্ট হয়ে যায় তখন ঐ কৃষক ভায়ের বাঁচার স্বপ্ন আর থাকেনা।সম্পুর্ মুলধন হারিয়ে পথে বসতে হয় তাঁাকে।মহাজনের ঋনের বোঝা বয়ে বেড়াতে হয় আজীবন।সরকার কিছুসার ও বীজ দিলেও তা ক্ষতির সামনে কিুইনা।তাই আমি অনেক সাক্ষাত কারে কৃষি বিমার কথা বল্লেও তা আজ ও বাস্তবায়ন হয়নি।আমরা সকলেই জানি একজন ব্যবসায়ী এলসি খুলে মাল মৌজুৎ করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে যায়। এ বার আসি বাস্তবতা ও নিজের তিক্ত অভিগ্যতার কথায়- ২০১৭ সনে আমি রাজাপুরের কানুদাস কাঠির একজন বিশিস্ট ব্যবসায়ীর ১৩০ শতক জমিতে কলা এবং বাকি জমিতে করলা,শশা ও চিচিংগার বর্গা চাষ করি। কলা ৪৫০০০০ টাকা বিকরি হয় যাতে আমার পায়ার কথা ১৫০০০০ টাকা।পরিতাপের বিষয় সবজিতে ১২০০০০ টাকা ক্ষতি হলে তারা আমাকে কলার একটি টকাও দেয়নি।কারন জানতে চাইলে তার বলে সবজিতে লসহয় জেনেও তুমি কেন চাষ করেছো ও ক্ষতি তোমার।এই হল ব্যবসায়ী ও কৃষকের মধ্য তফাত।প্রতিদিন চার কিলো গিয়ে খেয়ে না খেয়ে চাষ করে আমি পেলাম শুু ক্ষতির ভাগ! আল্লাহকে বলেিছি বিষয়টি দেখার জন্য আর আজ প্রকাশ করলাম।

এবার কৃষির ঝুকির বিষয় বাস্তব অভিজ্ঞতার কথা বলচি- ২০১৯-২০২০ কৃষিতে আমার মুলধন ছিল ৭০০০০০ টাকার বেশী।বুলবুল আঘাত হানলে আমার আমার ৯০০০ হাজার হাইব্রিড তরমুজ গাছ নস্ট হয় যাতে চারা লাগানো পর্যন্ত খরচ ৩ লক্ষ পনের হাজার টাকা,পৌষের আকাল বৃস্টিতে আনুমানিক ১লক্ষ ৪৫ হাজার টাকার সবজি নস্ট হয়,কলা গাছ ছিল ১৩০০ টি । সবমিলে আমার দুই লক্ষ টাক হওয়ার আশা থাকলে ও আমি সকল হারিয়ে পথে বসে গেছি কই কেউতো আমার খবরও নিলনা।নিজের জমি না থাকায় কৃষি ঋন ও পেলামনা।এটাই বাস্তবতা।তাই কৃষকের ঝুকি কমাতে কৃষি বিমার বিকল্প নেই।

সন্মানের কথা বলতে গেলে বলতে হয় কৃষকের সন্মান সকলের মুখে মুখে অন্তরে নয়।কারন হিসেবে বলতে চাই অনেক পেশার ব্যক্ত জাতীয় ভাবে অবদান রাখায় জাতীয় পুরস্কার পেয়ে আজীবন সন্মান পেলেও আমরা ব। বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদক প্রাপ্ত কিষান কিষানী ভাই বোনরা কিন্ত তেমন নই।আমাদের কে কেউ মনেও করেনা।কৃষকদের জীবন এমন হোক তা আমাদের কাম্য হতে পারেনা।এমন হলে মেধাবীরা এই পেষায় আসবেননা।

0Shares