সর্বশেষঃ
ডেইলি অনলাইন বাংলাদেশ ২৪.কম এর পক্ষ থেকে ঈদ শুভেচ্ছা[][][]ভান্ডারিয়াবাসীকে পবিত্র ঈদুল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এহসাম হাওলাদার[][][]মেট্রোরেলের নির্মাণকাজের অগ্রগতি ৬৩ ভাগ : সেতুমন্ত্রী[][][]ভান্ডারিয়া উপজেলাবাসীকে চেয়ারম্যান মিরাজুল ইসলামের ঈদ উপহার[][][]খালেদার চিকিৎসা নিয়ে সরকার খোড়া যুক্তি দিচ্ছে : মির্জা ফখরুল[][][]নাজিরপুরে লকডাউনে কিস্তি আদায়! বিপাকে গ্রাহক[][][]ভান্ডারিয়াবাসীকে পবিত্র ঈদুল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিএনপির নেতা ম.মহিউদ্দিন খান দিপু[][][]ঐতিহাসিক শোলাকিয়ায় ঈদের জামাত হচ্ছে না[][][]দেশে করোনায় মৃত্যু ১২ হাজার ছাড়াল[][][]কাউখালীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ইলেকট্রিশিয়ানের মৃত্যু

আত্রাই এখন পানিশূন্য

নওগাঁ থেকে সংবাদদাতা:

নওগাঁর এক সময়ের খরস্রোতা আত্রাই নদী এখন মৌসুমি নানা সবজিক্ষেত আর বিকেলে দুরন্ত ছেলেদের খেলার মাঠে পরিণত হয়েছে। চৈত্রের তাপদাহে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় আত্রাইয়ের অনেক জায়গায় এক ফোটা পানিও নেই।

বাংলাদেশের উত্তর প্রান্তের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ, খানসামা, চিরিরবন্দর হয়ে নদীটি আবারো ভারতের মধ্যে প্রবেশ করেছে। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে আবার এই নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করে নওগাঁর মহাদেবপুর, পত্নীতলা, মান্দা, আত্রাই, নাটোরের সিংড়া, গুড়দাসপুর ও পাবনার ভাঙ্গুরা, ফরিদপুর ও বেড়া হয়ে নদীটি যমুনায় মিলিত হয়েছে।

এক সময় এই নদী ছিল খরস্রোতা। কি বর্ষা কি গ্রীষ্ম কি ভাদ্র-কোনো মৌসুমেই ছিল না পানির ঘাটতি। সে সময় লঞ্চ, স্টিমার ও পালতোলা নৌকায় বাণিজ্যিক মালামাল পরিবহন হতো। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মালামাল পরিবহনের একমাত্র রুট হিসেবে ব্যবহৃত হতো এই নদী।

এ ছাড়া উৎপাদিত কৃষিপণ্য পরিবহনেও ব্যবহার হতো এই নদী। এ নদীর পানি দিয়েই আবাদ হতো হাজার হাজার বিঘা জমি। এখন চৈত্র মাস আসতে না আসতেই নদীটি শুকিয়ে যায়। এজন্য এখন কোথাও ফসলের মাঠ, কোথাও খেলার মাঠ, কোথাও বা বিনোদন স্পটে রূপ নিয়েছে নদীটি।

উপজেলা মধুগুড়নই গ্রামের নজরুল ইসলাম মিঠু বলেন, আমরা যুগ যুগ ধরে নদীপথে নৌকা নিয়ে মাটির তৈরি মালামালের ব্যবসা করে থাকি। মাটির তৈরি ডাবর, টালি, পাতিল, কলসসহ বিভিন্ন প্রকার সামগ্রী নৌকায় দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠিয়ে থাকি। বর্তমানে নদী শুকিয়ে যাওয়ায় আমাদের ব্যবসা স্থবির হয়ে পড়েছে। এজন্য আমরা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছি।

এ ছাড়াও নদী পানিশূন্য হয়ে পড়ায় বোরো সেচ নিয়ে বিপাকে পড়েছে হাজার হাজার স্থানীয় কৃষক। বিপ্রবোয়ালিয়া গ্রামের আব্দুর রউফ বলেন, নদীর পানি সেচে বোরো চাষ করলে আমাদের খরচ হয় বিঘাপ্রতি ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা। অথচ নদী পানি শূন্য হওয়ায় মাঠে শ্যালো মেশিন দিয়ে সেচ দিতে খরচ হচ্ছে কয়েক গুণ বেশি। এতে আমাদের সেচ খরচও অনেক বেড়ে যাচ্ছে আর জমির উর্বরতা ও কমে যাচ্ছে। স্থানীয় কৃষকরা নদীটি খনন করে আগের নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

 

0Shares