সর্বশেষঃ
ভান্ডারিয়ায় ড্রীম বাংলা ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ সাইদ চৌধুরীর নগত অর্থ সহায়তা[][][]ভাণ্ডারিয়ায় মুজিববর্ষের ঘরের কাজ পরিদর্শনে বিভাগীয় কমিশনার[][][]খালেদা জিয়ার লিভার ঠিকভাবে কাজ করছে না'[][][]আলজাজিরার সাংবাদিককে ‘জিহাদী’ বলে হিন্দুত্ববাদীদের আক্রমণ[][][]পরীকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা : প্রধান অভিযুক্ত নাসিরসহ গ্রেফতার ৫[][][]আগৈলঝাড়ায় ইসলামী এজেন্ট ব্যাংকিং কেন্দ্র উদ্বোধন[][][]আগৈলঝাড়ায় সাংবাদিক পরিচয়ে তিন প্রতারক আটক, মুচলেকা দিয়ে মুক্ত[][][]মাদরাসা শিক্ষাকে আন্তর্জাতিক মানের করতে কাজ করছে আ'লীগ সরকার--এমপি জ্যাকব[][][]৩০ জুন পর্যন্তবাড়লো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি[][][]স্বাস্থ্য নয়, অন্যান্য খাতের কোটি টাকা কানাডায় চলে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আড়াই হাজার নারীর, মা হওয়ার স্বপ্ন পূরণ পরিবার পরিকল্পনা, মন্ত্রণালয়ের হাতে! এফডব্লিউভি পদে চাকরির অপেক্ষায় তিন বছর ধরে সন্তান নিতে পারছেন না আড়াই হাজার নারী

স্টাফ রিপোর্টার,:
(এস এম সেলিম)
প্রায় আড়াই হাজার নারীকে বছরের পর বছর ‘বন্ধ্যা’ করে রেখেছে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর! এসব নারী অধিদপ্তরের পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা (এফডব্লিউভি) পদে নিয়োগ পাওয়ার জন্য সব পরীক্ষা সম্পন্ন করেছেন। তাদের যে কোনো সময় নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। নিয়োগ পাওয়ার অন্যতম শর্ত হলো, চাকরিতে যোগদানের সময় কেউ গর্ভবতী থাকতে পারবেন না এবং কারও সন্তানের বয়স তিন বছরের কম হতে পারবে না। তিন বছর ধরে দ্রুতই নিয়োগপত্র ইস্যু করা হবে বলে বারবারই সময়ক্ষেপণ করছে অধিদপ্তর। অন্যদিকে যে কোনো সময় চাকরিতে যোগদান করতে হতে পারে- এমন প্রত্যাশায় সন্তান ধারণ থেকে বিরত রয়েছেন চাকরির জন্য নির্বাচিত নারীদের মধ্যে বিবাহিত প্রার্থীরা। কার্যত নিয়োগপত্রের ফাঁদে আটকা পড়ে গেছে তাদের মাতৃত্বের স্বপ্ন। অনেকেই বিষয়টি অমানবিক বলেও মনে করছেন।
নারী অধিকার আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী এ প্রসঙ্গে বলেন, নিয়োগের বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখার কারণে ওই নারীদের সংসারে নানা ধরনের অশান্তি তৈরি হচ্ছে। বর্তমান সরকারের নারী উন্নয়নের যে নীতিমালা, এটি তার পরিপন্থি। এ থেকে বোঝা যায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা দায়িত্বশীলরা সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করছেন না। তিনি বলেন, এভাবে বছরের পর বছর ঝুলিয়ে না রেখে অনতিবিলম্বে নিয়োগ সম্পন্ন করা উচিত।
এফডব্লিউভি পদে নিয়োগ কমিটির সদস্য সচিব ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপপরিচালক ইফতেখার রহমান বলেন, নিয়োগটা আগেই শেষ করার কথা ছিল; কিন্তু নানা কারণে হয়নি। সর্বশেষ দেশে করোনা সংক্রমণ শুরুর আগেও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে কভিড-১৯ চলে এলো। এ জন্য নিয়োগপত্র ইস্যুর বিষয়টি আবার থেমে গেছে। তবে শিগগিরই এটা সম্পন্ন হতে পারে
0Shares